Terget
Copyright ©2012 All rights reserved pollyunnoyanfoundation.com. Powered by Blogger.
Facebook live
Annual Reports
বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১০-২০১১ইং
পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন
E-mail: puf_2008@yahoo.com
Mobile: 01712051233
Mobile: 01712051233
শ্রীপুর বাজার, ডাক : কাজলধারা -৩২৩৪, থানা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
উপদেষ্টা পরিষদ
১ ড. এ টি এম জামিল, প্রধান উপদেষ্টা, প্রাক্তন প্রফেসার কিং আজিজ ইউনির্ভাসিটি সৌদি আরব।২ ড. এম.এ মজিদ, উপদেষ্টা ,প্রাক্তন ডিন বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
৩ মোঃ ফারুক উদ্দিন সুন্দর, উপদেষ্টা কমিউনিটি নেতা ইউ.কে।
৪ মোঃ আজিজুর রহমান,উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কুলাউড়া।
৫ মোঃ হুমায়ুন হোসেন খান, উপদেষ্টা, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতা ইউ.কে।
৬ মোঃ খয়রুল হোসেন খান, উপদেষ্টা, ব্যবসায়ী, কুলাউড়া।
পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন
শ্রীপুর বাজার, ডাক : কাজলধারা -৩২৩৪,
থানা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
থানা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
কার্যকরী পরিষদ
২১-০৫-২০১০ হইতে ২০-৫-২০১২ইং পর্যন্ত
২১-০৫-২০১০ হইতে ২০-৫-২০১২ইং পর্যন্ত
০১ মোঃ আব্দুল আহাদ -সভাপতি
গ্রাম: নছিরাবাদ, ডাক: কাজলধারা, উপজেলা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
০২ মোঃ ফারুক আহমদ -সহ- সভাপতি
গ্রাম: দণিপাড়া, ডাক: কাজলধারা, উপজেলা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
০৩ মোঃ বদরুল হোসেন খাঁন -সাধারণ সম্পাদক
গ্রাম: দাউদপুর, ডাক: কাজলধারা, উপজেলা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
০৪ মোঃ সুইট বকস -কোষাধ্য
গ্রাম: লামাপাড়া, ডাক: কাজলধারা, উপজেলা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
০৫ মোঃ আজিদ খাঁন -সদস্য
গ্রাম: দাউদপুর, ডাক: কাজলধারা, উপজেলা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
০৬ মোঃ সাইফুর রহমান -সদস্য
গ্রাম: লামাপাড়া, ডাক: কাজলধারা, উপজেলা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
০৭ মোঃ আব্দুর রব -সদস্য
গ্রাম: কোনাগাঁও, ডাক: কাজলধারা, উপজেলা: কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার।
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম
বাংলাদেশের শতকরা ৮৫জন দরিদ্র, অধিকাংশই দরিদ্র, অশিক্ষা, কুসংস্কার, অদৃষ্টিবাদিতা শোষণ বঞ্চনার শিকার ওরা এদের জীবনে বিরাজ করেছে সীমাহীন হতাশা। উন্নয়নের কোন সুফল গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের দ্বারে গিয়ে পৌছতে পারছে না। সরকারের গনকল্যাণ মুখী পরিকল্পনা ও দরিদ্র জনগণের অংশ গ্রহণের অভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে দরিদ্র মানুষের সার্বিক উন্নয়নের জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমূহ কাজ করে যাচ্ছে। এমনি একটি সংগঠন দরিদ্র মানুষের সেবা উন্নয়নের প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে সকলে মিলে গড়ে তুলি এই সংগঠন।
সংগঠনের ল্যঃ “সেবা” সম্পূর্ণভাবে সমাজের কল্যাণমূখী হিসাবে আত্ম প্রকাশের মাধ্যমে কার্য এলাকায় অসহায়, গরীব, অশিক্ষত ব্যক্তিদের শিক্ষার ব্যবস্থা, নারী কল্যাণ দূর্দশাগ্রস্থ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা নিয়ে একটি স্ব-নির্ভর আত্মসচেতন মূলক সমাজ গঠনে কার্যকরী পদপে গ্রহণ করা সংগঠনের মূল লক্ষ্য ।
সংগঠনের উদ্দেশ্যঃ
১।সমাজের দরিদ্র জনগোষ্টিকে উন্নয়নের সুফল সর্ম্পকে সচেতন করে গড়ে তোলা। যাতে দরিদ্র জনগোষ্টি তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক, শিক্ষার পরিবেশগত সমস্যাবলী চিহ্নিত করে সচেতন হয়ে জাতীয় উন্নয়নের পাশাপাশি নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত জীবন যাপন করতে পারে।
২। শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ: বাংলাদেশ সরকারের সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে সার্বিক ভাবে সফল করার লক্ষে শিশুদের অভিভাবকদের উদ্ধুদ্ধ করে শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার নিশ্চিত করা।
৩। বিপথগামী নেশাগ্রস্থ, মাদকাসক্তদের সুস্থ করে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেে মাদকাসক্তি নিরাময় কিনিক স্থাপন করা। পাশাপাশি তাদের পুর্রবাসনের জন্য কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা। মাদকাসক্তির হাত থেকে যুব সমাজ তথা গোটা জাতীকে রার ক্ষেত্রে জন সচেতনতা মূলক কর্মসূচী যেমন র্যালি, সিম্পোজিয়াম, সভা সমাবেশের ব্যবস্থা করা।৪। নারী কল্যাণঃ মহিলাদের নিরতা দূরীকরণে নৈশ বিদ্যালয় চালু করা। সমাজের সর্বস্তরের মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। সমাজের অসহায়, দুঃস্থ ও অশিতি মহিলাদের সংগঠিত করে প্রয়োজনীয় শিা ও প্রশিন প্রদান করে আতœ কর্মসংস্থানের সহায়তা করা।
৫। জাতীয় সমস্যা হিসাবে জনসংখ্যা সমস্যার ভয়াবহতা সর্ম্পকে জনগনের সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এ ল্েয বিভিন্ন সভা, সমাবেশ, র্যালি ইত্যাদির ব্যবস্থা করা।
৬। আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা, হাঁস মুরগী পালন ও মৎস চাষ করার জন্য কৃষিজীবি, গৃহিনী ও মৎসজীবি সহ সমাজের সংশ্লিষ্ট সকলকে উৎসাহিত করা এবং যথা সম্ভব সহযোগীতার পাশাপাশি প্রশিণের ব্যবস্থা করা।
৭। সংগঠনের নিজস্ব উদ্যোগে গরীব ও দুঃস্থ রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা সহ ঔষধ সামগ্রির ব্যবস্থা করা।
৮। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিচর্য্যা ও রার ব্যাপারে সংগঠনের নিজস্ব উদ্যোগে বিভিন্ন পদপে গ্রহণ করা এবং সরকারের অব্যাহত প্রচ্যষ্টা সমূহের সহযোগীতা করা।
৯। বেকারত্ব দূরীকরণের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্বল্প আয়ের গ্রামীণ অসহায়, দুস্থ, বিত্তহীন দরিদ্র জনগোষ্টির আয় বৃদ্ধি ও আতœ কর্মসংস্থানের জন্য সম্মিলিতভাবে হাস মুরগীর খামার স্থাপন, কুটির শিল্প স্থাপন, সবজি বাগান, পশু পালন, নার্সারি স্থাপন, মৎস চাষ ইত্যাদি নানাবিধ প্রকল্প গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করনের পাশাপাশি উৎসাহিদের প্রশিণ দান ও ত্রে বিশেষে আর্থিক সহযোগিতা করা।
১০। পরিবার পরিকল্পনাঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে সমাজের নৈতিক অবস্থার অবনতি ও অপরাধের সংখ্যা বহুল পরিমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুতরাং এ অবস্থা থেকে অব্যাহতির ল্েয পরিবার পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য সার্বিক সহযোগিতা সহ বিভিন্ন কার্যকরী পদপে গ্রহন করা।
কর্ম এলাকাঃ
প্রথমে কুলাউড়া উপজেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। পরবর্তীতে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপরে অনুমোদন সাপেক্ষে সমগ্র জেলায় কার্য এলাকা বৃদ্ধি করা হবে।
সদস্য হওয়ার নিয়মাবলীঃ
উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা, প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক, যারা সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করবেন কেবল তারাই সংস্থার নির্ধারিত আবেদন ফরমে কার্যপরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত ভর্তি ফি প্রদান পূর্বক সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদন সাপেে সংস্থার সদস্য হতে পারবেন।
সদস্যগণের শ্রেণী বিভাগ * প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
* সাধারণ সদস্য
* আজীবন সদস্য
* দাতা সদস্য সংগঠন পরিচালনার কাঠামোঃ * সাধারণ পরিষদ
* কার্য নির্বাহী পরিষদ
* উপদেষ্টা পরিষদ সাধারণ পরিষদঃ
সংস্থার সাধারণ পরিষদ ও কার্য নির্বাহী পরিষদ নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে। এই পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ মতাপূর্ন পরিষদ। এই পরিষদের সভায় সংগঠনের নীতি আদর্শ ও ল্য প্রনয়ন, গঠনতন্ত্রের সংযোজন, বিয়োজন বা সংশোধন, করা হবে। এই পরিষদের সদস্যগন কার্য নির্বাহী পরিষদ গঠন করবেন এবং কার্য নির্বাহী পরিষদের সাথে সংগঠনের উন্নয়ন কল্পে তাদের সার্বিক সহযোগিতা ও মতামত পেশ করবেন।
কার্য নির্বাহী পরিষদঃ সাধারন পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত ৭(সাত) সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ থাকবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে এই পরিষদের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা যাবে। এই পরিষদেরদ মেয়াদকাল হবে ২ (দুই) বৎসর। কার্য নির্বাহী পরিষদের কাঠামো নিম্নরূপঃ * সভাপতি -১ জন
* সহ -সভাপতি- ১ জন
* সাধারণ সম্পাদক- ১ জন
* কোষাধ্য -১ জন
* নির্বাহী সদস্য -৩ জন
সাংগঠনিক কার্যক্রম
নির্বাহী পরিষদ সভা জুলাই ১১ হইতে জুন ১২ সালে বর্তমান নির্বাহী পরিষদ মোট ৭টি সভায় মিলিত হয়। সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত সমূহ নিম্নরূপঃ ১ম সভা তারিখঃ ০২/০৭/১১ইং এটি নব নির্বাচিত পরিষদের এটি ছিল প্রথম সভা এ সভায় গুরুত্বপূর্ন কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি একটি আনুষ্ঠানিক পরিচিতি মুলক সভা ছিল। ২য় সভা তারিখঃ ০২/০৯/১১ইং সিদ্ধান্তঃ অনেক েেত্র দেখা যায় দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্য সংগঠনের মাসিক ও বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ ও অন্যান্য কার্যক্রম সঠিক ভাবে সম্পন্ন করেনি। চাঁদা ও অন্যান্য কার্যক্রম সঠিক ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৩য় সভা তারিখঃ ০১/১১/১১ইং সিদ্ধান্তঃ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে নিরাপদ পানি পান করার জন্য পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন বিনামূল্যে ২০টি নলকুপ বিতরনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। ৪র্থ সভা তারিখঃ ০১/১২/১১ইং সিদ্ধান্তঃ ১০০ জন প্রতিবন্ধি ১০০জন এতিম ও ১০০জন অতদরিদ্রদের মধ্যে সংগঠনের প থেকে ১০০টি কম্বল ২০০টি জাম্পার সইটার সহ শীত বস্ত্র বিতরন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ১০টি উপ-আনুষ্ঠানিক ও আদিবাসি প্রাথমিক বিদ্যালয় আদিবাসি ও দরিদ্র এলাকায় স্থাপন করার সিদ্ধান্ত সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।
৫ম সভা তারিখঃ ০১/০১/১২ইং সিদ্ধান্তঃ সংগঠনের প থেকে ২৫০জন পুরুষ, মহিলাকে আতœকর্মসংস্থান ও সাবলম্বী হওয়ার জন্য সেলাই, হাঁস, মুরগী পালন, গবাদিপশু, পালন, কুটির শিল্প, নকশী কাথা, সাক সবজি চাষ ও কম্পিউটার বিষয়ে ফ্রি প্রশিন দেয়ানুর সিদ্ধান্ত ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে মুক্ত পাওয়ার জন্য দরিদ্র ২০০টি পরিবারকে নির্বাচিত করে প্রতি পরিবারকে ফ্রি ২০০টি মশারী বিতরনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। ৬ষ্ট সভা তারিখঃ ০১/০৩/১২ইং সিদ্ধান্তঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর নেটওয়াকিং জোরদার করন প্রকল্প স্থানীয় পর্যায়ে যুবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি মূলক প্রশিন কোর্সে মাধ্যমে ৩৬০জন যুবকদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিন প্রদান ও সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ বদরুল হোসেন খান কে দায়িত্ব প্রদান করার সিদ্ধান্ত হয় সে সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মূলক কাজ করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। ৭ম সভা তারিখঃ ০১/০৪/১২ইং সিদ্ধান্তঃ বিগত বছরের প্রস্তাবিত বাজেট জুলাই থেকে জুন
আয়-ব্যায় যাবতীয় হিসাব পত্রাদি নির্ধারিতভাবে পেশ করার জন্য সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ বদরুল হোসেন খান ও কোষাধ্যকে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।
গত ১লা অক্টোবর ২০১১ সাল রোজ শনিবার বিকাল ৫.০০ ঘটিকার সময় পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের সম্মুখে ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে দরিদ্র পরিবারকে ফ্রি ১৫০টি নলকুপ বিতরন উপল্েয এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ বদরুল হোসেন খান, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইউ.কে কমিউনিটি নেতা বিশিষ্ট দানশীল মোঃ আবু হোসাইন খান সানি ও ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আল-মামুন চৌধুরী আলহাজ্ব আব্দুর রউফ ডাঃ শামসুল হোসেন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ। পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ নুরুল ইসলাম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথিঃ জনাব হাফিজুর রহমান চৌধূরী বলেন মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। এখনও অনেকে কুয়া, ছড়া, পুকুরের পানি পান করে ডায়রিয়া, আমাশা সহ পেটের পীড়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ১৫০টি নলকুপ ফ্রি বিতরন করছে তার জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই। সভা শেষে দরিদ্র পরিবারের মাঝে নলকুপ বিতরন করেন।
গত ১০ই মার্চ ২০১২ইং রোজ বুধবার সকাল ১১.০০ঘটিকার সময় পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশ এর উদ্দ্যোগে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা এর ম্যালেরিয়া থেকে দরিদ্র লোকদেরকে রার জন্য পাঁচশত পরিবারকে মশারী বিতরন করা হয়। মশারী বিতরন উপল্েয এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ বদরুল হোসেন খান, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইফ উপাধ্য আব্দুস শহীদ এর ভাই বিশিষ্ট সমাজ কর্মী ও রাজনীতিবিদ মোঃ মোসাদ্দেক আহমদ মানিক, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভূকশিমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম রেনু ও শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা মিয়া এলাকার বিশিষ্ট মোরুব্বী আলহাজ্ব আব্দুর রউফ ও ডাঃ শামসুল হোসেন, পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে ম্যানেজার মোঃ নুরুল ইসলাম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি তাহার বক্তবে বলেন মানুষ হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করা উত্তম ইবাদত। আজ দ্ররিদ্র মানুষদেরকে পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন যেভাবে মশারী দিয়ে সহযোগিতা করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয় ভবিষ্যতে পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দরিদ্র লোকের কল্যাণে কাজ করবে আশাবাদ ব্যক্ত করি। সভাশেষে দরিদ্র পরিবারদের মাঝে মশারী বিতরন করেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ।
গত ৭ই ফেব্র“য়ারী ২০১০ইং রোজ রবিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ের সামনে প্রতিবন্ধীদেরকে শীতবস্ত্র বিতরন উপল্েয একসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রউফ, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-২ এর মাননীয় সংসদ সদস্য নবাব আলী আব্বাস খান, বিশেষ অতিথি উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ ছায়েফ উদ্দীন আহমদ, পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ বদরুল হোসেন খান, উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ক্রেডিট সুপার ভাইজার মোঃ আপ্তাব উদ্দিন, আপেল মাহমুদ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ। প্রধান অতিথির বক্তবে সংসদ সদস্য বলেন ১০০জন প্রতিবন্ধিদের হাতে শীত বস্ত্র দেওয়া আমার এই প্রথম। প্রতিবন্ধিদেরকে অবহেলা করা টিক নয় প্রতিবন্ধিদেরকে শিা ও প্রশিণের মাধ্যমে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারলে প্রতিবন্ধিরা দেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে। আশা করি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতে ব্যাপক ভাবে কাজ করবে। সভা শেষে ১০০জন প্রতিবন্ধীর হাতে কম্বল তুলে দেন মাননীয় সংসদ সদস্য নবাব আলী আব্বাস খান।
আতœ-নির্ভরশীল করার ল্েয পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন থেকে মহিলাদেরকে বিভিন্ন প্রশিন দিয়ে আসিতেছে। গত ৩/৪/১১জানুয়ারী ২০১১ইং শনিবার পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর প্রশিণ কে ত্রিশ জন শিতি, অর্ধ-শিতি মহিলাদেরকে নিয়ে ফ্রি সেলাই প্রশিন উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ বদরুল হোসেন খান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আপ্তাব উদ্দিন, আপেল মাহমুদ প্রোগ্রাম ম্যানেজার নুরুল ইসলাম প্রশিক রেবেকা ইয়াসমিন প্রশিন শেষে সকলকে সনদ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষ্ দারিদ্র বিমোচন ও নারী উন্নয়নের লে পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র এলাকার শিতি, অর্ধশিতি মহিলাদের আতœনির্ভরশীল করার ল্েয এলাকা চাহিদা ভিত্তিক হাস-মুরগী লালন পালন, গরু মোটাতাজা করন, শাক-সবজী চাষ, মৎস্য, সেলাই সহ ফ্রি প্রশিণ দেওয়া হইতেছে। নেটওয়ার্কিং জোরদার করন প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার যুবক-যুবতীদের কম্পিউটার প্রশিন দেওয়া হইতেছে। ফ্রি প্রশিনের কারণে এলাকার বেকার নারী-পুরুষের কর্ম-সংস্থানের সুযোগ হয়েছে। প্রশিনার্থীদেরকে আতœ-নির্ভরশীল করার ল্েয ফ্রি সেলাই মেশিন, হাস-মুরগী ও ছাগল পালনের জন্য পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রয়োজনীয় সামগ্রী সহ নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করতেছে।
কুটির শিল্পঃ গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্টির অনেক লোক বাঁশ বেতের মাধ্যমে টুকরি, ঝুড়ি তৈরী তা বিক্রি করে কোন রকম জীবন যাপন করে আসিতেছে। পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন তাদেরকে উন্নত প্রশিনের মাধ্যমে বাঁশ-বেত দিয়ে ঘর সাজানোর সামগ্রী, মুড়া, হাত পাখা, শীতল পাটি, তৈরী করে বাজারে বিক্রি করে অনেক পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। প্রশিণ প্রাপ্ত লোকের কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ায় প্রতিবেশী লোকেরা উদ্বোদ্ধ হয়ে তাহারা ও এই কাজে সম্পৃক্ত হয়ে আতœনির্ভশীল হচ্ছে। প্রশিনার্থী দরিদ্র পরিবারকে পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ব্যাংক ঋনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।
এইচআইভি, এইডসঃ এইডস কি? “বাচতে হলে জানতে হবে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঘাতক ব্যাধি এইডস থেকে রার জন্য পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে সচেতনতার লে দীর্ঘ দিন থেকে সচেতনতা মূলক কর্মশালা, সভা, র্যালি, প্রশিণের আয়োজন করে আসিতেছে। অসচেতন ও দরিদ্র এলাকার নারী-পুরুষদেরকে এইডস থেকে রার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ফ্রি-দেওয়া হয়।
Subscribe to:
Posts
(Atom)
All Visitors
Recent Event
-
Smoking Anti- activity M any people die in Bangladesh ....
